৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ইউএনও সুস্মিতা সাহা

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৪:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১৬৪
সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ইউএনও সুস্মিতা সাহা

ইনছান আলী,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

“কোন কালে একা হয়নিকো জয়ী পুরুষের তরবারি
শক্তি দিয়েছে প্রেরণা দিয়েছে বিজয় লক্ষ্মী নারী”-
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই অমোঘ বাণীকে বাস্তবে রুপ দিয়ে হরিনাকুণ্ডুর মাঠ প্রশাসনের ইতিহাসে স্মরনীয় হয়ে উঠছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুস্মিতা সাহা। সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করণে রিশখালি থেকে তৈলটুপি আর মকিমপুর থেকে ধূলিয়া অবধি রাতদিন নিরলসভাবে ছুটে চলেছেন তিনি।

বিজ্ঞানমনষ্ক সুস্মিতা সাহা হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে সরকারের নানামূখি সেবাসমূহকে সর্বাত্বক স্বচ্ছতার সাথে সাধারণ নাগরিকদের দোরগোড়ার পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় ও অনুপ্রেরণায় হরিণাকুণ্ডু থানা, উপজেলা কৃষি অফিস, এলজিইডি, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশর প্রথম স্মার্ট ভিলেজ হিসেবে বাওড় পরিবেষ্টিত নিভৃত পল্লী হিজলী গ্রামকে স্মার্ট ভিলেজ হিসেবে গড়ে তুলবার প্রচেষ্টার মাধ্যমে এক ব্যতিক্রমী কাজ করে উপজেলার ইতিহাসে স্মরনীয় হয়ে উঠছেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক বাংলাদেশে প্রথম” নিরাময়” এ্যাপস তৈরি করে উপজেলাকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌছে দিয়েছেন এই নারী প্রশাসক। এই এ্যাপসের মাধ্যমে উপজেলার দুই লক্ষাধিক নাগরিক কে প্রসূতি কল্যাণ, শিশু কল্যাণ, রোগী কল্যাণ, মানসিক স্বাস্থ্য ও সাপে কাটা রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা সহায়তার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ ভাবে আলোচিত আত্মহত্যা, বাল্য বিবাহ, যৌতুক, মাদকমুক্ত হরিনাকুণ্ডু গড়তে তিনি বদ্ধপরিকর। এ লক্ষে জনপ্রতিনিধি, আলেম-ইমাম, পুরোহিত, শিক্ষক- শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নাগরিকদের সমন্বয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গ্রহন করেছেন বাস্তবমূখী পদক্ষেপ। জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করণ, প্রাকৃতিক জলাশয় নদী খালে বাঁধ অবমুক্ত করণে নিয়েছেন সাহসী ভূমিকা। উপজেলা পর্যায়ে জবাবদিহী মূলক সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সুফল জনগনের দোরগড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে। জনসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাদের প্রত্যাশা পূরণে তিনি যেন এক স্বপ্নসারথী।

ভেজাল মুক্ত ভোগ্য পন্য বাজার জাতকরণ, ন্যায্য মূল্যে পন্য বিক্রি নিশ্চত করণসহ জীবন বিধ্বংসী মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি রোধে বাজার মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে রয়েছে তার অনন্য ভূমিকা। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে রাস্তা সংষ্কার, কালভার্ট ব্রীজ নির্মান, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশাণ সংষ্কার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নসহ পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব নিরসনে দায়িত্ব পালন করছেন নিষ্ঠার সাথে। তার নেতৃত্বে হরিনাকুণ্ডু উপজেলা জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একাধিকবার জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জণে সক্ষম হয়েছে।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুজিব ভাস্কর্য স্থাপন ও সংস্কার সাধন, দুস্থ্য অসহায় গৃহহীনদের জন্য তার সময়কালে ৬০টিসহ মোট ১০১টি মানসম্মত গৃহ নির্মাণ এবং জাতির গর্বিত সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি হরিণাকুণ্ডুতে বৎসরাধিক কাল সময়ে জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে উপজেলার শিক্ষা অঙ্গন বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোতে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়নে অবদান রাখছেন। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার গুণগত মান বজায় রাখাসহ মানসম্মত বিদ্যাপীঠ গড়ে তোলার জন্য গ্রহন করেছেন নানা মূখি কার্যক্রম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইউএনও’র আকষ্মিক পরিদর্শনের ফলে নিয়ম মাফিক চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। ক্লাসের পড়া ক্লাসেই নিশ্চিত করার ফলে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য রোধে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এ কর্মসূচি। তিনি উপজেলায় নারী শিক্ষা উন্নয়ন এবং অবলা নারীকে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে উন্নয়নের মূল স্রোতে নারীদের সম্পৃক্ত করার লক্ষে তাদের প্রশিক্ষন ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ।

প্রশাসন ক্যাডার নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই উন্মুক্ত। তবে এক্ষেত্রে একজন পুরুষ কর্মকর্তা যেভাবে অনায়াসে খ্যাতি বা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে, সে ক্ষেত্রে একজন নারী কর্মকর্তাকে তার দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করতে তাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। একজন নারী কর্মকর্তা হিসেবে প্রশাসনিক কাজে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ছোটখাট সমস্যার সম্মুখিনও হতে হয়। যদিও সে বাঁধা যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে তাদের অতিক্রম করতে হয়। একজন নারী কর্মকর্তার কাছে নারী-পুরুষ সকলেই নির্বিঘ্নে তাদের সমস্যাগুলো শেয়ার করতে পারে, যা জনগণের অধিকার নিশ্চিতকরণসহ নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখে। তিনি উপজেলায় যোগদানের পর থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নসহ সমগ্র উপজেলার অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসনিক ভাবে দাঁড়ানোর চেষ্টাসহ অসহায়দের জন্য সাধ্যমত উপজেলা প্রশাসন থেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার গৃহহীনদের জন্য নির্মিত বাড়ি সুষ্ঠু ভাবে অসহায় মানুষের মাঝে দলিলসহ হস্তান্তর করেছেন।

মানবাধিকার নেতা শিক্ষাবীদ মোসলেম উদ্দীন বলেন, , বর্তমান উপজেলা প্রশাসনে দায়িত্বরত ইউএনও সুস্মিতা সাহা মহোদয় অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে নাগরিক সেবা প্রদান করে থাকেন। সরকারের রুটিন কাজকর্মের পাশাপাশি উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম তদারকি এসবই নিপুণ হাতে দক্ষতার সঙ্গে সামলিয়ে থাকেন। মাদক, বাল্যবিবাহ, দুনীর্তি ও অনিয়ম নির্মূলে আপোষহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি জনগণের অধিকার সুরক্ষা ও প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র শিক্ষিত নিরক্ষর সকল শ্রেণির নাগরিককে সুবিবেচনায় রাখেন।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ইউএনও সুস্মিতা সাহা

সময়: ০৪:৪৫:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ইউএনও সুস্মিতা সাহাইনছান আলী,ঝিনাইদহ প্রতিনিধি “কোন কালে একা হয়নিকো জয়ী পুরুষের তরবারি শক্তি দিয়েছে প্রেরণা দিয়েছে বিজয় লক্ষ্মী নারী”- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই অমোঘ বাণীকে বাস্তবে রুপ দিয়ে হরিনাকুণ্ডুর মাঠ প্রশাসনের ইতিহাসে স্মরনীয় হয়ে উঠছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুস্মিতা সাহা। সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করণে রিশখালি থেকে তৈলটুপি আর মকিমপুর থেকে ধূলিয়া অবধি রাতদিন নিরলসভাবে ছুটে চলেছেন তিনি। বিজ্ঞানমনষ্ক সুস্মিতা সাহা হরিণাকুণ্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদানের পর থেকে সরকারের নানামূখি সেবাসমূহকে সর্বাত্বক স্বচ্ছতার সাথে সাধারণ নাগরিকদের দোরগোড়ার পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় ও অনুপ্রেরণায় হরিণাকুণ্ডু থানা, উপজেলা কৃষি অফিস, এলজিইডি, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি দপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় বাংলাদেশর প্রথম স্মার্ট ভিলেজ হিসেবে বাওড় পরিবেষ্টিত নিভৃত পল্লী হিজলী গ্রামকে স্মার্ট ভিলেজ হিসেবে গড়ে তুলবার প্রচেষ্টার মাধ্যমে এক ব্যতিক্রমী কাজ করে উপজেলার ইতিহাসে স্মরনীয় হয়ে উঠছেন। স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক বাংলাদেশে প্রথম” নিরাময়” এ্যাপস তৈরি করে উপজেলাকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌছে দিয়েছেন এই নারী প্রশাসক। এই এ্যাপসের মাধ্যমে উপজেলার দুই লক্ষাধিক নাগরিক কে প্রসূতি কল্যাণ, শিশু কল্যাণ, রোগী কল্যাণ, মানসিক স্বাস্থ্য ও সাপে কাটা রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা সহায়তার এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। এছাড়া জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ ভাবে আলোচিত আত্মহত্যা, বাল্য বিবাহ, যৌতুক, মাদকমুক্ত হরিনাকুণ্ডু গড়তে তিনি বদ্ধপরিকর। এ লক্ষে জনপ্রতিনিধি, আলেম-ইমাম, পুরোহিত, শিক্ষক- শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার নাগরিকদের সমন্বয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গ্রহন করেছেন বাস্তবমূখী পদক্ষেপ। জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করণ, প্রাকৃতিক জলাশয় নদী খালে বাঁধ অবমুক্ত করণে নিয়েছেন সাহসী ভূমিকা। উপজেলা পর্যায়ে জবাবদিহী মূলক সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সুফল জনগনের দোরগড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে। জনসাধারণের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও তাদের প্রত্যাশা পূরণে তিনি যেন এক স্বপ্নসারথী। ভেজাল মুক্ত ভোগ্য পন্য বাজার জাতকরণ, ন্যায্য মূল্যে পন্য বিক্রি নিশ্চত করণসহ জীবন বিধ্বংসী মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি রোধে বাজার মনিটরিং এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে রয়েছে তার অনন্য ভূমিকা। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে রাস্তা সংষ্কার, কালভার্ট ব্রীজ নির্মান, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশাণ সংষ্কার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নসহ পারিবারিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব নিরসনে দায়িত্ব পালন করছেন নিষ্ঠার সাথে। তার নেতৃত্বে হরিনাকুণ্ডু উপজেলা জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একাধিকবার জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জণে সক্ষম হয়েছে। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুজিব ভাস্কর্য স্থাপন ও সংস্কার সাধন, দুস্থ্য অসহায় গৃহহীনদের জন্য তার সময়কালে ৬০টিসহ মোট ১০১টি মানসম্মত গৃহ নির্মাণ এবং জাতির গর্বিত সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি হরিণাকুণ্ডুতে বৎসরাধিক কাল সময়ে জনবান্ধব প্রশাসক হিসেবে উপজেলার শিক্ষা অঙ্গন বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোতে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়নে অবদান রাখছেন। কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার গুণগত মান বজায় রাখাসহ মানসম্মত বিদ্যাপীঠ গড়ে তোলার জন্য গ্রহন করেছেন নানা মূখি কার্যক্রম। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইউএনও’র আকষ্মিক পরিদর্শনের ফলে নিয়ম মাফিক চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। ক্লাসের পড়া ক্লাসেই নিশ্চিত করার ফলে প্রাইভেট ও কোচিং বাণিজ্য রোধে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এ কর্মসূচি। তিনি উপজেলায় নারী শিক্ষা উন্নয়ন এবং অবলা নারীকে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে উন্নয়নের মূল স্রোতে নারীদের সম্পৃক্ত করার লক্ষে তাদের প্রশিক্ষন ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । প্রশাসন ক্যাডার নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই উন্মুক্ত। তবে এক্ষেত্রে একজন পুরুষ কর্মকর্তা যেভাবে অনায়াসে খ্যাতি বা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে পারে, সে ক্ষেত্রে একজন নারী কর্মকর্তাকে তার দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করতে তাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। একজন নারী কর্মকর্তা হিসেবে প্রশাসনিক কাজে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ছোটখাট সমস্যার সম্মুখিনও হতে হয়। যদিও সে বাঁধা যোগ্যতা ও দক্ষতার সাথে তাদের অতিক্রম করতে হয়। একজন নারী কর্মকর্তার কাছে নারী-পুরুষ সকলেই নির্বিঘ্নে তাদের সমস্যাগুলো শেয়ার করতে পারে, যা জনগণের অধিকার নিশ্চিতকরণসহ নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখে। তিনি উপজেলায় যোগদানের পর থেকে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নসহ সমগ্র উপজেলার অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসনিক ভাবে দাঁড়ানোর চেষ্টাসহ অসহায়দের জন্য সাধ্যমত উপজেলা প্রশাসন থেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার গৃহহীনদের জন্য নির্মিত বাড়ি সুষ্ঠু ভাবে অসহায় মানুষের মাঝে দলিলসহ হস্তান্তর করেছেন। মানবাধিকার নেতা শিক্ষাবীদ মোসলেম উদ্দীন বলেন, , বর্তমান উপজেলা প্রশাসনে দায়িত্বরত ইউএনও সুস্মিতা সাহা মহোদয় অত্যন্ত নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে নাগরিক সেবা প্রদান করে থাকেন। সরকারের রুটিন কাজকর্মের পাশাপাশি উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম তদারকি এসবই নিপুণ হাতে দক্ষতার সঙ্গে সামলিয়ে থাকেন। মাদক, বাল্যবিবাহ, দুনীর্তি ও অনিয়ম নির্মূলে আপোষহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি জনগণের অধিকার সুরক্ষা ও প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সরকারি সেবা প্রাপ্তিতে নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র শিক্ষিত নিরক্ষর সকল শ্রেণির নাগরিককে সুবিবেচনায় রাখেন।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.