স্কোপাস ইনডেক্স র্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরার তালিকায় বাকৃবির ১০ গবেষক
- সময়: ০৯:৩০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৪৬

বাকৃবি প্রতিনিধি:স্কোপাস ইনডেক্স র্যাংকিংয়ে বিশ্বসেরার তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ১০ গবেষক নাম। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক মানসম্মত জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যার ভিত্তিতে তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাকৃবির ৯ শিক্ষক ও এক সাবেক শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (৯জানুয়ারি) তথ্যটি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন এ কথা ।
জানা যায়, স্কোপাস ও ওয়েব অব সায়েন্স মূলত বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলোর গুণগত মান যাচাই করে সেগুলোকে ইনডেক্সভুক্ত করে। এসব ডাটাবেজে প্রকাশিত গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোপাস ডাটাবেজে প্রতিটি গবেষকের জন্য একটি স্বতন্ত্র স্কোপাস আইডি তৈরি করা হয়। যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট বছরে একজন গবেষকের প্রকাশনা ও গবেষণা কার্যক্রমের নির্ভরযোগ্য তথ্য সংরক্ষিত থাকে। গবেষকদের গবেষণাপত্র মানসম্মত জার্নালে প্রকাশনার ওপর ভিত্তি করে প্রতি বছর র্যাংকিং প্রকাশ করে থাকে স্কোপাস ইনডেক্স জার্নাল।
বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র্যাংকিং নির্ধারণে স্কোপাস-ইনডেক্সড জার্নালে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের সংখ্যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূচক। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র্যাংকিং সিস্টেমে মোট স্কোরের অর্ধেকেরও বেশি তথ্য সরাসরি স্কোপাস ডাটাবেজ থেকে সংগ্রহ করা হয়।
স্কোপাস ডাটাবেজের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে বাকৃবির সেরা ১০ গবেষক হলেন- অ্যাকুয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, কৃষিব্যবসা ও বিপণন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন, কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমত আরা বেগম, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. তানভীর রহমান, মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. সুকুমার সাহা, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক ড. চয়ন কুমার সাহা এবং সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. আদহাম এবং একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদুল ইসলাম।
তালিকায় স্থান অর্জনে অনুভূতি প্রকাশে অধ্যাপক ড. মো. গোলজার হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক এবং গবেষক হিসেবে একাডেমিক কাজের পাশাপাশি গবেষণা করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। বছর শেষে বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা এবং প্যাটেন্ট একজন গবেষকের সাফল্যের অন্যতম মানদণ্ড। সেই দিক থেকে, বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৬০০-এর অধিক শিক্ষকের মধ্যে স্কোপাস-ভিত্তিক জার্নালে ২০২৫ সালের প্রকাশনার সংখ্যা অনুযায়ী তৃতীয় স্থানে থাকা আমার জন্য খুবই আনন্দের।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার এই প্রকাশনার সাথে যুক্ত আমার গবেষণা টিমের সকল সদস্য, সহকর্মী, গবেষণা সহযোগী, গবেষণা অনুদান প্রদানকারী সংস্থা, বাকৃবি এবং আমার পরিবারের প্রতি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এই তালিকায় থাকা সম্মানীয় সকলকে অভিনন্দন জানাই এবং আশা করি আমাদের এই গবেষণা প্রকাশনাগুলো প্রাণপ্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়ের র্যাংকিংকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালে এই তালিকায় ছিলো বাকৃবির নয়জন শিক্ষক ও একজন সাবেক শিক্ষার্থী। এবছরের তালিকায় বেশ কয়েককজন গবেষকের পুনরাবৃত্তি হয়েছে। নতুন করে স্থান করে নিয়েছে ৪ জন শিক্ষক ও একজন শিক্ষার্থী।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















