২৪ ঘন্টার মধ্যে লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তারের দাবি ইবি শিক্ষার্থীদের
- সময়: ০৩:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
- / ৩৮

মাশুক এলাহী, ইবি প্রতিনিধি:
শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক লাকী আক্তারকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১২ মার্চ) দিবাগত রাত দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে একটি মিছিল নিয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে সমবেত হন শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ইবি শিক্ষার্থীদের—১৩-এর খুনিরা, হুঁশিয়ার, সাবধান, শাহবাগীদের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন, ল তে লাকী, তুই হাসিনা, তুই হাসিনা, ওয়ান টু থ্রি ফোর, শাহবাগী নো মোর, চব্বিশের বাংলায় শাহবাগের ঠাঁই নাই, শাহবাগীরা হামলা করে, ইন্টেরিম কী করে এমন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
সমাবেশে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০১৩ সালে ফ্যাসিস্টেদের গড়াপত্তন ঘটেছিল এই শাহবাগী লাকিদের মাধ্যমে। বাংলাদেশের মানুষ এদের দেখতে চায় না। সীমান্তবর্তী ভাই বোনের অনুরোধ করছি আপনারা সচেতন হন এই শাহবাগীরা যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই লাকি আক্তার’সহ শাহবাগীর মুলহোতাদের গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানাচ্ছি। এই শাহবাগ থেকে বিরোধী দলীয় সকল নেতৃত্ববৃন্দের হত্যার নীলনকশা তৈরি হয়েছিল। ওখান থেকে দেশপ্রেমিক মানুষের হত্যা করা হয়েছিল। এর মুল কারিগর ছিল এই লাকি। তাকে এই অপরাধে ফাঁসি দন্ড দেয়া লাগবে।
এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক গোলাম রাব্বানী বলেন, জুলাই বিপ্লবের পরেও সরকার যখন কোন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই শাহবাগীরা কৌশলে সরকারে বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। কৌশলগতভাবে তারা অতি প্রগতিশীলতাকে ধারণ করে এদেশের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করেছে। তারা বাংলাদেশ জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্যকে ধ্বংস করেছে, গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। লাকি’সহ অন্যান্য শাহবাগীদের গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের পরিচিত মুখ লাকি আক্তার। অনেকের কাছে তিনি শ্লোগানকন্যা নামে পরিচিত। তিনি শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চ-২ আয়োজনের পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করছেন ও দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। দ্বিতীয় গণজাগরণ মঞ্চের বিরুদ্ধে ইঙ্গিতে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্যতম নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহ।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















