৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউল শিল্পীদের ওপর হামলা ন্যাক্কারজন : মির্জা ফখরুল

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ১১:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৬২
বাউল শিল্পীদের ওপর হামলা ন্যাক্কারজন : মির্জা ফখরুল

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস।

বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার ঘটনাকে “উগ্র ধর্মান্ধদের ন্যাক্কারজনক কাণ্ড” বলে নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমি মনে করি বাউলদের উপর হামলা এটা একটা ন্যাককারজনক ঘটনা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।”

বুধবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাউলরা বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতি, গ্রাম বাংলার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যারা মাঠে-ঘাটে, প্রান্তরে বাউল গান গেয়ে বেড়ান। তাদের উপরে হামলাকে তিনি “উগ্র ধর্মান্ধদের হামলা” বলে আখ্যা দেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “এটা সঠিক নয়, এই ধরনের হিংসার পথ বেছে নেওয়া কারো জন্য কাম্য নয়।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বস্তিবাসীর দুর্দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বস্তিগুলোতে কয়েক হাজার দরিদ্র ও নিঃস্ব মানুষ বসবাস করে। তিনি ব্যক্তিগত উদাহরণ দিয়ে বলেন, “আমার বাসায় যে মহিলা রান্না করে, তার বাড়িও পুরো একদম শেষ হয়ে গেছে।”

এই ঘটনাটিকে দরিদ্র মানুষগুলোর জন্য “চরম আঘাত” হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সরকারের কাছে জোর দাবি জানান, সরকার যেন এই ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে।

তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে প্রকৃত ঘটনাকে বের করে যদি কোন ব্যক্তি দায়ী হয়ে থাকে তাহলে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত।

সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা নাকচ করে দেন।

তিনি মনে করেন, এটি আমাদের দুর্ভাগ্যক্রমে ঘটছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি কাঠামোগত দুর্বলতা ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন। বিশেষ করে গার্মেন্টস অথবা ফ্যাক্টরি কারখানাগুলোতে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নেগলিজেন্স (অবহেলা), অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা এবং আইন না মেনে চলা—এসব কিছু মিলেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

মির্জা ফখরুল মত দেন যে, সত্যিকার অর্থেই যদি আইনের প্রয়োগ হয় এবং যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকে, তাহলে এই দুর্ঘটনাগুলো নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হবে।

এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

বাউল শিল্পীদের ওপর হামলা ন্যাক্কারজন : মির্জা ফখরুল

সময়: ১১:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
বাউল শিল্পীদের ওপর হামলা ন্যাক্কারজন : মির্জা ফখরুলরিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস। বাউল শিল্পীদের ওপর হামলার ঘটনাকে “উগ্র ধর্মান্ধদের ন্যাক্কারজনক কাণ্ড” বলে নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “আমি মনে করি বাউলদের উপর হামলা এটা একটা ন্যাককারজনক ঘটনা। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।” বুধবার বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাউলরা বাংলাদেশের আবহমান সাংস্কৃতি, গ্রাম বাংলার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যারা মাঠে-ঘাটে, প্রান্তরে বাউল গান গেয়ে বেড়ান। তাদের উপরে হামলাকে তিনি “উগ্র ধর্মান্ধদের হামলা” বলে আখ্যা দেন। মির্জা ফখরুল বলেন, “এটা সঠিক নয়, এই ধরনের হিংসার পথ বেছে নেওয়া কারো জন্য কাম্য নয়।” তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বস্তিবাসীর দুর্দশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বস্তিগুলোতে কয়েক হাজার দরিদ্র ও নিঃস্ব মানুষ বসবাস করে। তিনি ব্যক্তিগত উদাহরণ দিয়ে বলেন, “আমার বাসায় যে মহিলা রান্না করে, তার বাড়িও পুরো একদম শেষ হয়ে গেছে।” এই ঘটনাটিকে দরিদ্র মানুষগুলোর জন্য “চরম আঘাত” হিসেবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল সরকারের কাছে জোর দাবি জানান, সরকার যেন এই ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে। তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে প্রকৃত ঘটনাকে বের করে যদি কোন ব্যক্তি দায়ী হয়ে থাকে তাহলে তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত। সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলো কোনো ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা নাকচ করে দেন। তিনি মনে করেন, এটি আমাদের দুর্ভাগ্যক্রমে ঘটছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি কাঠামোগত দুর্বলতা ও অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেন। বিশেষ করে গার্মেন্টস অথবা ফ্যাক্টরি কারখানাগুলোতে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নেগলিজেন্স (অবহেলা), অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার অপর্যাপ্ততা এবং আইন না মেনে চলা—এসব কিছু মিলেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। মির্জা ফখরুল মত দেন যে, সত্যিকার অর্থেই যদি আইনের প্রয়োগ হয় এবং যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা থাকে, তাহলে এই দুর্ঘটনাগুলো নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ হবে। এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির কার্যালয় উদ্বোধন করেন। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.