কুড়িগ্রামে কলেজে বসে মদপান, সেই অধ্যক্ষ বরখাস্ত
- সময়: ০৯:০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
- / ৪৩

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি শাহজাহান খন্দকার
প্রতিষ্ঠানের নিজ কক্ষে বসে মদপান ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কুড়িগ্রাম সদরের খলিলগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ এস এম সালাহ উদ্দীন রুবেলকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে গভর্নিং বডি। রবিবার (৩১ মার্চ) কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি রংপুর রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের কমান্ড্যান্ট (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. মেহেদুল করিম স্বাক্ষরিত পত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। পৃথক আরেকটি পত্রে কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গভর্নিং বডির সভাপতি মো. মেহেদুল করিম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, ‘অধ্যক্ষ সালাহ উদ্দীন রুবেলের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানে বসে মদপান ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বাংলা ট্রিবিউনসহ একাধিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় মর্মে প্রতিবেদন দেয়। একইসঙ্গে নৈতিক স্খলন পেশাগত অসদাচরণ, আর্থিক অনিয়ম-দুর্নীতি, কর্তব্যে অবহেলা ও অদক্ষতার অভিযোগের সত্যতা পায় তদন্ত কমিটি। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দাখিলকৃত জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক চাকরিবিধি অনুযায়ী অধ্যক্ষ সালাহ উদ্দীন রুবেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।’
প্রসঙ্গত, সালাহ উদ্দীন রুবেল প্রতিষ্ঠানে বসে নিয়মিত মদপান করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে কলেজের টাকা উত্তোলন ও আত্মসাতের অভিযোগ আছে। এ নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায়। অধ্যক্ষ রুবেল মনগড়া ভাউচার ও চেকের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন মর্মে প্রতিবেদন দেয় নিরীক্ষা কমিটি। এসব অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলে স্বীকার করে জবাব দেন। সার্বিক বিবেচনায় রুবেলকে অধ্যক্ষ পদ হতে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয় গভর্নিং বডি।
গভর্নিং বডির সভাপতি মো. মেহেদুল করিম বলেন, ‘অধ্যক্ষ সালাহ উদ্দীন রুবেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















