৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রাম পরিদর্শন করলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৪:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪
  • / ৪৩
কুড়িগ্রাম পরিদর্শন করলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি শাহজাহান খন্দকার

দীর্ঘ প্রতিক্ষীত কুড়িগ্রাম সফর শেষে আবার কুড়িগ্রাম আসার আশাবাদ ব্যক্ত করে নিজ দেশে ফিরলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়নের ধরলা নদীর পূর্ব পাড়ে মাধবরাম এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন। পরে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবস্থিত সোনাহাট স্থল বন্দর পরিদর্শন করে দুপুর ২.৪৭টায় সেখান থেকে ভারতের আসাম রাজ্যের গোলকগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভুটান চলে যান রাজা ওয়াংচুক। বাণিজ্য সম্ভাবনা ও পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রামে হতে যাচ্ছে ভুটানিজ বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল।

প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবকাঠামো ও দুই দেশের আন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা দেখার জন্য ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক এর এই কুড়িগ্রাম সফর ছিল অনেক আকাঙ্খিত।

ভুটানের রাজা বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর, এরপর সড়ক পথে দুপুর পৌনে ১২টায় কুড়িগ্রামে আসেন। কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে আতিথেয়তা গ্রহণ শেষে কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়নের ধরলা নদীর পূর্ব পাড়ে মাধবরাম এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে আসেন। এ সময় কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মো: সাইদুল আরীফ প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে রাজাকে অবহিত করেন। জবাবে রাজা দ্রুত সম্ভাবতা যাচাই শেষে এই এলাকায় শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনকালে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কুড়িগ্রাম ২ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুল হক খন্দকার, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ, বেজা-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো: মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলামসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সড়ক পথে রাজা পৌছান সোনাহাট স্থলবন্দরে। স্থলবন্দর পরিদর্শন করে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন রাজা। এসময় বিজিবির পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর স্থলবন্দর পেরিয়ে ভারত হয়ে নিজ দেশে ফিরে যান রাজা ওয়াংচুক।

বাংলাদেশ অথনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন সাংবাদিকদের জানান, ভুটানের রাজা প্রস্তাবিত এলাকায় শিল্প স্থাপনের আগ্রহ দেখিয়েছেন। তিনি দুদেশের যৌথ সমীক্ষা শেষে দ্রুত এই কাজ শুরু করার কথা জানিয়েছেন। ভুটানের রাজা শীঘ্রই একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠাবেন। কাজ শুরু হলে তিনি আবার কুড়িগ্রামে আসবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি জানান রাজা বলেছেন, ‘এই এলাকার মানুষের কী ধরণের চাহিদা, কী ধরণের শিল্প স্থাপন করলে বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হবে, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’

তিনি আরো জানান, ২০২৩ সালের ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটানের রাজার সাক্ষাতের সময় এই বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশে শ্রম সস্তা, বেজায় বিনিয়োগ করলে সরকার কিছু ইনসেনটিভ দেয়, ভুটান থেকে শিল্পের কাঁচামাল এনে শিল্পায়ন অনেক লাভজনক হবে-এসব বিবেচনায় ভুটান এগিয়ে এসেছে।
এদিকে রাজার আগমন ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভুটানের বিনিয়োগের খবরে উচ্ছ্বসিত কুড়িগ্রামের ধরলা পাড়ের মানুষ। তারা মনে করেন শিল্প কারখানাবিহীন অনগ্রসর কুড়িগ্রামকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভুটানের রাজার বিশেষ আগ্রহে এখানে দ্রুতই শিল্প কারখানা স্থাপন হবে। কর্মসংস্তান হবে অনেক বেকার মানুষের।

মাধবরাম গ্রামের বাসিন্দা লোকমান আলী জানান, রাজার আগমনে আমরা সবাই খুশি। অনেকেই জমি ও বাস্তহারা হলেও বৃহত্তর স্বার্থে আমরা মত দিয়েছি। ১০ কিলোমিটার দূর থেকে রাজাকে দেখতে এসেছেন আরেক কৃষক সোনা মিয়া। তিনি বলেন, ‘হামরা রাজাক দেখছি তাই বোলে কী কারখানা করবে। করলেতো ভালোই হইবে। হামার এলাকার অনেক উপকার হইবে।’

স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীরা মনে করে, ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি আন্দ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়বে। যার প্রভাব পড়বে এই এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থার উপর। কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র কাজিউল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখানে ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং ব্যবসা বানিজ্যের ব্যাপক প্রসার হবে। দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পাবে জেলার মানুষ।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামে এক জনসভায় পিছিয়ে পড়া কুড়িগ্রামে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। গত বছর ১৩৩ একর খাস জমি বেজার কাছে হস্তান্তর করে জেলা প্রশাসন। আরো ৮৬ একর জমির অধিগ্রহনের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক বিবেচনায় ভুটান এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখায়।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

কুড়িগ্রাম পরিদর্শন করলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক

সময়: ০৪:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪
কুড়িগ্রাম পরিদর্শন করলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুককুড়িগ্রাম প্রতিনিধি শাহজাহান খন্দকার দীর্ঘ প্রতিক্ষীত কুড়িগ্রাম সফর শেষে আবার কুড়িগ্রাম আসার আশাবাদ ব্যক্ত করে নিজ দেশে ফিরলেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়নের ধরলা নদীর পূর্ব পাড়ে মাধবরাম এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করেন। পরে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবস্থিত সোনাহাট স্থল বন্দর পরিদর্শন করে দুপুর ২.৪৭টায় সেখান থেকে ভারতের আসাম রাজ্যের গোলকগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভুটান চলে যান রাজা ওয়াংচুক। বাণিজ্য সম্ভাবনা ও পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রামে হতে যাচ্ছে ভুটানিজ বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবকাঠামো ও দুই দেশের আন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা দেখার জন্য ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক এর এই কুড়িগ্রাম সফর ছিল অনেক আকাঙ্খিত। ভুটানের রাজা বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিমানযোগে সৈয়দপুর, এরপর সড়ক পথে দুপুর পৌনে ১২টায় কুড়িগ্রামে আসেন। কুড়িগ্রাম সার্কিট হাউসে আতিথেয়তা গ্রহণ শেষে কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার ভোগডাঙা ইউনিয়নের ধরলা নদীর পূর্ব পাড়ে মাধবরাম এলাকায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনে আসেন। এ সময় কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মো: সাইদুল আরীফ প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে রাজাকে অবহিত করেন। জবাবে রাজা দ্রুত সম্ভাবতা যাচাই শেষে এই এলাকায় শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনকালে তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কুড়িগ্রাম ২ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুল হক খন্দকার, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশ, বেজা-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ, পুলিশ সুপার আল আসাদ মো: মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম পৌর মেয়র কাজিউল ইসলামসহ উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন শেষে সড়ক পথে রাজা পৌছান সোনাহাট স্থলবন্দরে। স্থলবন্দর পরিদর্শন করে পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন রাজা। এসময় বিজিবির পক্ষ থেকে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। এরপর স্থলবন্দর পেরিয়ে ভারত হয়ে নিজ দেশে ফিরে যান রাজা ওয়াংচুক। বাংলাদেশ অথনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন সাংবাদিকদের জানান, ভুটানের রাজা প্রস্তাবিত এলাকায় শিল্প স্থাপনের আগ্রহ দেখিয়েছেন। তিনি দুদেশের যৌথ সমীক্ষা শেষে দ্রুত এই কাজ শুরু করার কথা জানিয়েছেন। ভুটানের রাজা শীঘ্রই একটি টেকনিক্যাল টিম পাঠাবেন। কাজ শুরু হলে তিনি আবার কুড়িগ্রামে আসবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি জানান রাজা বলেছেন, ‘এই এলাকার মানুষের কী ধরণের চাহিদা, কী ধরণের শিল্প স্থাপন করলে বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হবে, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’ তিনি আরো জানান, ২০২৩ সালের ৬ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটানের রাজার সাক্ষাতের সময় এই বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাব দেন। বাংলাদেশে শ্রম সস্তা, বেজায় বিনিয়োগ করলে সরকার কিছু ইনসেনটিভ দেয়, ভুটান থেকে শিল্পের কাঁচামাল এনে শিল্পায়ন অনেক লাভজনক হবে-এসব বিবেচনায় ভুটান এগিয়ে এসেছে। এদিকে রাজার আগমন ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভুটানের বিনিয়োগের খবরে উচ্ছ্বসিত কুড়িগ্রামের ধরলা পাড়ের মানুষ। তারা মনে করেন শিল্প কারখানাবিহীন অনগ্রসর কুড়িগ্রামকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভুটানের রাজার বিশেষ আগ্রহে এখানে দ্রুতই শিল্প কারখানা স্থাপন হবে। কর্মসংস্তান হবে অনেক বেকার মানুষের। মাধবরাম গ্রামের বাসিন্দা লোকমান আলী জানান, রাজার আগমনে আমরা সবাই খুশি। অনেকেই জমি ও বাস্তহারা হলেও বৃহত্তর স্বার্থে আমরা মত দিয়েছি। ১০ কিলোমিটার দূর থেকে রাজাকে দেখতে এসেছেন আরেক কৃষক সোনা মিয়া। তিনি বলেন, ‘হামরা রাজাক দেখছি তাই বোলে কী কারখানা করবে। করলেতো ভালোই হইবে। হামার এলাকার অনেক উপকার হইবে।’ স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীরা মনে করে, ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হলে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি আন্দ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক যোগাযোগ বাড়বে। যার প্রভাব পড়বে এই এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থার উপর। কুড়িগ্রাম পৌরসভার মেয়র কাজিউল ইসলাম বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখানে ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা হলে অনেক মানুষের কর্মসংস্থান হবে এবং ব্যবসা বানিজ্যের ব্যাপক প্রসার হবে। দারিদ্রতা থেকে মুক্তি পাবে জেলার মানুষ। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামে এক জনসভায় পিছিয়ে পড়া কুড়িগ্রামে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। গত বছর ১৩৩ একর খাস জমি বেজার কাছে হস্তান্তর করে জেলা প্রশাসন। আরো ৮৬ একর জমির অধিগ্রহনের প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক বিবেচনায় ভুটান এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের আগ্রহ দেখায়।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.