৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৫:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চকরিয়া-পেকুয়া আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপির

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০৮:৩১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ৬০
চকরিয়া-পেকুয়া আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপির

 

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি :

 

আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ২৯৪, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন সিআইপি এরিমধ্যে নৌকার মনোনিত প্রার্থী হিসেবে গত ৩০ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি. তারিখ কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার বরাবর মনোনয়ন পত্র জমা দেন সিআইপি।

 

গতকাল ৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার ১ ও কক্সবাজার ২ আসনের মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ের দিন ছিল। সকাল ১০ টার দিকে মনোনয়ন বাছায়ের কার্যক্রম শুরু হলে প্রথমেই সালাহ উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার।

 

পরবর্তীতে রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, সিআইবি রিপোর্টে আপত্তি থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে যানান এ অফিসার।

 

খবর নিয়ে যানা যায়, ১২ বছর আগে বিক্রি করে দেয়া সালাহ উদ্দিনের মালিকানাধীন চিংড়ি রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান ফিশ ফ্রিজারভার্স লি: এর আর্থিক দায় তার উপর চাপিয়ে দেওয়ায় এই সমস্যা তৈরী হয়েছে।

 

উল্লেখ্য এই প্রতিষ্ঠানে তার সমুদয় শেয়ার গত ১২ বছর আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সম্মতি ও অনুমতি সাপেক্ষে সালাহ উদ্দিন বিক্রি করে দেই এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর আইন অনুযায়ী সালাহ উদ্দিনের শেয়ারসমূহ যথারীতি ক্রেতাদের বরাবরে হস্তান্তরিত করে দেই

 

একই সাথে এই প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় সম্পদ ও দায় দেনা ক্রেতাদেরকে বুঝিয়ে দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান একটি অলাভজনতক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে ঋণ খেলাপী হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ ঋণ আদালতে মামলা করে। ওই মামলায় ব্যাংক সালাহ উদ্দিনকেও অন্তর্ভুক্ত করে।

 

এই মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য সালাহ উদ্দিন অর্থ ঋণ আদালত বরাবরে আবেদন করেন।

 

সালাহউদ্দিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ওই প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় দায় থেকে অব্যাহতি দিয়ে রায় দেন। সে অনুযায়ী জানা যায় তিনি ঋণ খেলাপীর অন্তর্ভুক্ত নয়।

 

তিনি জানান,মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার জন্য আমাকে যদি উচ্চ আদালতেও যেতে যাব।

 

সে বলে এটি আমার বিরুদ্ধে একটি বড ধরনের ষডযন্ত্র। ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ইনশাল্লাহ নস্যাৎ হবে। চকরিয়া-পেকুয়া, দখলবাজ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য আমি জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করবো।

 

তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষী, দলের নেতাও জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

 

তিনি আরো বলেন, সত্য ও ন্যায় নিষ্টা প্রতিষ্ঠা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন, মিশন ও তাঁর যাবতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করে যাবো ইনশাল্লাহ।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

চকরিয়া-পেকুয়া আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপির

সময়: ০৮:৩১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৩
চকরিয়া-পেকুয়া আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপির  কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি :   আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন ২৯৪, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন সিআইপি এরিমধ্যে নৌকার মনোনিত প্রার্থী হিসেবে গত ৩০ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি. তারিখ কক্সবাজার জেলা রিটার্নিং অফিসার বরাবর মনোনয়ন পত্র জমা দেন সিআইপি।   গতকাল ৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার ১ ও কক্সবাজার ২ আসনের মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ের দিন ছিল। সকাল ১০ টার দিকে মনোনয়ন বাছায়ের কার্যক্রম শুরু হলে প্রথমেই সালাহ উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার।   পরবর্তীতে রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, সিআইবি রিপোর্টে আপত্তি থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে যানান এ অফিসার।   খবর নিয়ে যানা যায়, ১২ বছর আগে বিক্রি করে দেয়া সালাহ উদ্দিনের মালিকানাধীন চিংড়ি রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান ফিশ ফ্রিজারভার্স লি: এর আর্থিক দায় তার উপর চাপিয়ে দেওয়ায় এই সমস্যা তৈরী হয়েছে।   উল্লেখ্য এই প্রতিষ্ঠানে তার সমুদয় শেয়ার গত ১২ বছর আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সম্মতি ও অনুমতি সাপেক্ষে সালাহ উদ্দিন বিক্রি করে দেই এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানীর আইন অনুযায়ী সালাহ উদ্দিনের শেয়ারসমূহ যথারীতি ক্রেতাদের বরাবরে হস্তান্তরিত করে দেই   একই সাথে এই প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় সম্পদ ও দায় দেনা ক্রেতাদেরকে বুঝিয়ে দেন তিনি। পরবর্তী সময়ে উক্ত প্রতিষ্ঠান একটি অলাভজনতক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে ঋণ খেলাপী হয়ে পড়ে। ফলশ্রুতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ ঋণ আদালতে মামলা করে। ওই মামলায় ব্যাংক সালাহ উদ্দিনকেও অন্তর্ভুক্ত করে।   এই মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য সালাহ উদ্দিন অর্থ ঋণ আদালত বরাবরে আবেদন করেন।   সালাহউদ্দিনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ওই প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় দায় থেকে অব্যাহতি দিয়ে রায় দেন। সে অনুযায়ী জানা যায় তিনি ঋণ খেলাপীর অন্তর্ভুক্ত নয়।   তিনি জানান,মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার জন্য আমাকে যদি উচ্চ আদালতেও যেতে যাব।   সে বলে এটি আমার বিরুদ্ধে একটি বড ধরনের ষডযন্ত্র। ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র ইনশাল্লাহ নস্যাৎ হবে। চকরিয়া-পেকুয়া, দখলবাজ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের কবল থেকে মুক্ত করার জন্য আমি জানপ্রাণ দিয়ে লড়াই করবো।   তিনি তার শুভাকাঙ্ক্ষী, দলের নেতাও জনগণকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।   তিনি আরো বলেন, সত্য ও ন্যায় নিষ্টা প্রতিষ্ঠা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন, মিশন ও তাঁর যাবতীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করে যাবো ইনশাল্লাহ।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.