বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে স্টারলিংকের যৌথভাবে কাজ শুরু
- সময়: ০৫:০০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ মার্চ ২০২৫
- / ১৪৬
প্রযুক্তি ডেস্ক: মার্কিন টেলিকম জায়ান্ট স্টারলিংকের সঙ্গে যৌথভাবে গ্রাউন্ড ভু-স্টেশন স্থাপনে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে বেশ কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান।স্টারলিংকের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করছেন। এই সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে স্টারলিংক কোম্পানির সাথে চুক্তির স্বাক্ষর করেছেন।এই চুক্তির আওতায় জমি বরাদ্দ, নির্মাণ সহায়তা এবং অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
স্টারলিংক প্রতিনিধি দলের সফরের ফলে তাদের পছন্দের কিছু সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব জায়গা ব্যবহার করার জন্য রাজি হয়েছে , আবার কিছু ক্ষেত্রে হাইটেক পার্কের জমি ব্যবহারের বিষয়টিও বিবেচনাধীন রয়েছে।বিশেষ সহকারী ফায়েজ আহমাদ তাইয়েব জানান, বর্তমানে স্থান চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, স্টারলিংকের মাধ্যমে বাংলাদেশের শহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চল, বিশেষকরে উত্তরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এটি লোডশেডিং বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের বাধা ছাড়াই নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করবে।তিনি বলেন, “বাংলাদেশে টেলিকম গ্রেড ফাইবার নেটওয়ার্কের পরিসর এখনও সীমিত এবং দূরবর্তী এলাকাগুলোতে লোডশেডিংয়ের সমস্যা রয়েছে। স্টারলিংক আমাদের উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার, এনজিও এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন কার্যক্রম ও ডিজিটাল অর্থনৈতিক উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করবে।তিনি আরও বলেন, “আগামী ৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংকের সঙ্গে যৌক্তিক মডেল বাস্তবায়নের জন্য আমরা কাজ করে যাবো।
এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ১৯ ফেব্রুয়ারি স্টারলিংকের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং দেশে স্টারলিংক সেবা চালু করার আহ্বান জানিয়েছেন।প্রধান উপদেষ্টা ইলন মাস্ককে জানান, তার এই সফরের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে সরাসরি পরিচিত হতে পারবেন, যারা এই প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী হবেন।
এ বিষয়ে সমন্বয় করতে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. খলিলুর রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি স্পেস-এক্স দলের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করবেন, যাতে স্টারলিংক আগামী ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশে চালু করা যায়।এর আগে, ১৩ ফেব্রুয়ারি, অধ্যাপক ইউনূস ইলন মাস্কের সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করেন। আলোচনায় ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও স্টারলিংক সেবা বাংলাদেশে চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















