৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মেঘালয়ের কোলে স্বচ্ছ জলের রাজ্য

সিলেটের সাদা পাথর

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ১১:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / ১৪৮
সিলেটের সাদা পাথর

সিলেটের সাদা পাথর: মেঘালয়ের কোলে স্বচ্ছ জলের রাজ্য

প্রকৃতি যখন আপন খেয়ালে সৌন্দর্যের ক্যানভাস সাজায়, তখন তা মানুষের মনকে মুগ্ধ না করে পারে না। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত সিলেট বিভাগ যেন ঠিক তেমনই এক সবুজ ক্যানভাস। আর এই ক্যানভাসে তুলির আঁচড়ের মতো এঁকে দেওয়া এক অপরূপ নিসর্গের নাম “সাদা পাথর”। মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে, ধলাই নদীর স্বচ্ছ শীতল জলের ধারায় বিছিয়ে থাকা অসংখ্য সাদা মসৃণ পাথর পর্যটকদের কাছে এক অপার বিস্ময়ের নাম।

অবস্থান

সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রটি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ ইউনিয়নে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত। এর ওপারেই ভারতের মেঘালয় রাজ্যের আকাশছোঁয়া সবুজ পাহাড়, যা এই স্থানের সৌন্দর্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।

সাদা পাথরের মূল আকর্ষণ

যে কারণে এই স্থানটি পর্যটকদের কাছে এত জনপ্রিয়, তার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ:

  • স্বচ্ছ শীতল জল: ধলাই নদীর পানি এতটাই স্বচ্ছ যে এর নিচের প্রতিটি পাথর স্পষ্ট দেখা যায়। মেঘালয় পাহাড় থেকে নেমে আসা এই শীতল জলে পা ডোবানোর অনুভূতি এককথায় অসাধারণ।
  • সাদা পাথরের সমারোহ: নদীর বুকে যত দূর চোখ যায়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কোটি কোটি সাদা মসৃণ পাথর। রোদ পড়লে এই সাদা পাথরগুলো চিকচিক করে, যা এক মোহনীয় দৃশ্যের জন্ম দেয়।
  • মেঘালয়ের পাহাড়: ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সবুজ পাহাড়ের সারি। বর্ষাকালে এই পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা ঝর্ণাগুলো দূর থেকে দেখা যায়, যা এক অপার্থিব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে।
  • নৌকা ভ্রমণ: মূল ঘাট থেকে সাদা পাথর স্পটে যাওয়ার জন্য ইঞ্জিনচালিত নৌকার ব্যবস্থা রয়েছে। ধলাই নদীর বুকে এই নৌকা ভ্রমণ যাত্রাপথকেও করে তোলে স্মরণীয়।

যাওয়ার উপযুক্ত সময়

সাদা পাথর ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকাল এবং এর পরবর্তী সময়, অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এই সময়ে নদীতে জলপ্রবাহ বেশি থাকে, পানি অনেক বেশি স্বচ্ছ থাকে এবং চারপাশের পাহাড়গুলো ঘন সবুজে ছেয়ে থাকে। বর্তমানে আগস্ট মাস হওয়ায়, এখন সাদা পাথর ভ্রমণের সেরা সময় চলছে।

যাতায়াত ব্যবস্থা (ঢাকা থেকে)

ধাপ ১: ঢাকা থেকে সিলেট

  • বাস: ঢাকার গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ থেকে হানিফ, শ্যামলী, এনা, লন্ডন এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন এসি/নন-এসি বাসে করে সিলেটে যাওয়া যায়। ভাড়া ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।
  • ট্রেন: ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পারাবত, জয়ন্তিকা, উপবন বা কালনী এক্সপ্রেসে করে সিলেটে যেতে পারেন। ভাড়া ৩৮০ থেকে ১২০০ টাকা (আসনভেদে)।
  • বিমান: সবচেয়ে দ্রুত ও আরামে যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার বা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে সিলেট যেতে পারেন।

ধাপ ২: সিলেট শহর থেকে সাদা পাথর

সিলেট শহরের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সাদা পাথর যাওয়ার যানবাহন পাওয়া যায়।

  • সিএনজি/অটোরিকশা: ৫-৬ জনের জন্য একটি সিএনজি রিজার্ভ করে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাট পর্যন্ত যেতে পারেন। ভাড়া সাধারণত ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা ( যাওয়া-আসা)।
  • প্রাইভেট কার/মাইক্রোবাস: বড় গ্রুপ হলে আম্বরখানা থেকে প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস রিজার্ভ করতে পারেন। ভাড়া ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা লাগতে পারে।

ধাপ ৩: ভোলাগঞ্জ ঘাট থেকে সাদা পাথর

ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাটে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করতে হবে।

  • নৌকা ভাড়া: পর্যটন কেন্দ্র পর্যন্ত যাওয়ার জন্য একটি নৌকার ভাড়া সাধারণত ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা। একটি নৌকায় ৮-১০ জন আরামে যেতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন অনেক সময় ভাড়া নির্দিষ্ট করে দেয়।

 

আনুমানিক খরচ

মাঝারি মানের একটি ভ্রমণ পরিকল্পনায় ঢাকা থেকে জনপ্রতি খরচ আনুমানিক ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকা হতে পারে। তবে এটি মূলত নির্ভর করবে আপনার যাতায়াত ব্যবস্থা, থাকা-খাওয়া এবং দলের সদস্যসংখ্যার উপর।

কিছু জরুরি পরামর্শ

১. সাঁতার: নদীর কিছু অংশে স্রোত বেশ শক্তিশালী হতে পারে। সাঁতার না জানলে বা পানিতে নামলে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করুন।

২. সীমান্তবর্তী এলাকা: এটি একটি সীমান্ত এলাকা। কোনো অবস্থাতেই সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করবেন না এবং নির্ধারিত এলাকার মধ্যেই থাকুন।

৩. পরিবেশ রক্ষা: সাদা পাথর আমাদের দেশের সম্পদ। চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিকের বোতল বা অন্য কোনো আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন। প্রকৃতির সৌন্দর্য রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

৪. দরদাম: সিলেট থেকে সিএনজি বা গাড়ি রিজার্ভ করার আগে ভালোভাবে দরদাম করে নিন। তবে নৌকার ভাড়া সাধারণত নির্দিষ্ট থাকে।

৫. জুতা: পানিতে হাঁটার জন্য উপযুক্ত প্লাস্টিকের বা রাবারের স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।

৬. ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ: মোবাইল, ক্যামেরা বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নিরাপদে রাখার জন্য একটি ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ সাথে নিন।

সবশেষে, যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে চাইলে সিলেটের সাদা পাথর আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য হতে পারে। এর নির্মল সৌন্দর্য আপনার মনে এক প্রশান্তির ছোঁয়া এনে দেবে, যা আপনি আজীবন মনে রাখবেন।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

মেঘালয়ের কোলে স্বচ্ছ জলের রাজ্য

সিলেটের সাদা পাথর

সময়: ১১:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
সিলেটের সাদা পাথর

সিলেটের সাদা পাথর: মেঘালয়ের কোলে স্বচ্ছ জলের রাজ্য

প্রকৃতি যখন আপন খেয়ালে সৌন্দর্যের ক্যানভাস সাজায়, তখন তা মানুষের মনকে মুগ্ধ না করে পারে না। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত সিলেট বিভাগ যেন ঠিক তেমনই এক সবুজ ক্যানভাস। আর এই ক্যানভাসে তুলির আঁচড়ের মতো এঁকে দেওয়া এক অপরূপ নিসর্গের নাম “সাদা পাথর”। মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে, ধলাই নদীর স্বচ্ছ শীতল জলের ধারায় বিছিয়ে থাকা অসংখ্য সাদা মসৃণ পাথর পর্যটকদের কাছে এক অপার বিস্ময়ের নাম।

অবস্থান

সাদা পাথর পর্যটন কেন্দ্রটি সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ ইউনিয়নে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবস্থিত। এর ওপারেই ভারতের মেঘালয় রাজ্যের আকাশছোঁয়া সবুজ পাহাড়, যা এই স্থানের সৌন্দর্যকে বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।

সাদা পাথরের মূল আকর্ষণ

যে কারণে এই স্থানটি পর্যটকদের কাছে এত জনপ্রিয়, তার পেছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ:
  • স্বচ্ছ শীতল জল: ধলাই নদীর পানি এতটাই স্বচ্ছ যে এর নিচের প্রতিটি পাথর স্পষ্ট দেখা যায়। মেঘালয় পাহাড় থেকে নেমে আসা এই শীতল জলে পা ডোবানোর অনুভূতি এককথায় অসাধারণ।
  • সাদা পাথরের সমারোহ: নদীর বুকে যত দূর চোখ যায়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কোটি কোটি সাদা মসৃণ পাথর। রোদ পড়লে এই সাদা পাথরগুলো চিকচিক করে, যা এক মোহনীয় দৃশ্যের জন্ম দেয়।
  • মেঘালয়ের পাহাড়: ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সবুজ পাহাড়ের সারি। বর্ষাকালে এই পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা ঝর্ণাগুলো দূর থেকে দেখা যায়, যা এক অপার্থিব সৌন্দর্যের সৃষ্টি করে।
  • নৌকা ভ্রমণ: মূল ঘাট থেকে সাদা পাথর স্পটে যাওয়ার জন্য ইঞ্জিনচালিত নৌকার ব্যবস্থা রয়েছে। ধলাই নদীর বুকে এই নৌকা ভ্রমণ যাত্রাপথকেও করে তোলে স্মরণীয়।

যাওয়ার উপযুক্ত সময়

সাদা পাথর ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো বর্ষাকাল এবং এর পরবর্তী সময়, অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত। এই সময়ে নদীতে জলপ্রবাহ বেশি থাকে, পানি অনেক বেশি স্বচ্ছ থাকে এবং চারপাশের পাহাড়গুলো ঘন সবুজে ছেয়ে থাকে। বর্তমানে আগস্ট মাস হওয়ায়, এখন সাদা পাথর ভ্রমণের সেরা সময় চলছে।

যাতায়াত ব্যবস্থা (ঢাকা থেকে)

ধাপ ১: ঢাকা থেকে সিলেট
  • বাস: ঢাকার গাবতলী, মহাখালী বা সায়েদাবাদ থেকে হানিফ, শ্যামলী, এনা, লন্ডন এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন এসি/নন-এসি বাসে করে সিলেটে যাওয়া যায়। ভাড়া ৬০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।
  • ট্রেন: ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে পারাবত, জয়ন্তিকা, উপবন বা কালনী এক্সপ্রেসে করে সিলেটে যেতে পারেন। ভাড়া ৩৮০ থেকে ১২০০ টাকা (আসনভেদে)।
  • বিমান: সবচেয়ে দ্রুত ও আরামে যাওয়ার জন্য হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমান, নভোএয়ার বা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে সিলেট যেতে পারেন।

ধাপ ২: সিলেট শহর থেকে সাদা পাথর

সিলেট শহরের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সাদা পাথর যাওয়ার যানবাহন পাওয়া যায়।
  • সিএনজি/অটোরিকশা: ৫-৬ জনের জন্য একটি সিএনজি রিজার্ভ করে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাট পর্যন্ত যেতে পারেন। ভাড়া সাধারণত ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা ( যাওয়া-আসা)।
  • প্রাইভেট কার/মাইক্রোবাস: বড় গ্রুপ হলে আম্বরখানা থেকে প্রাইভেট কার বা মাইক্রোবাস রিজার্ভ করতে পারেন। ভাড়া ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা লাগতে পারে।

ধাপ ৩: ভোলাগঞ্জ ঘাট থেকে সাদা পাথর

ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর ঘাটে পৌঁছানোর পর সেখান থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করতে হবে।
  • নৌকা ভাড়া: পর্যটন কেন্দ্র পর্যন্ত যাওয়ার জন্য একটি নৌকার ভাড়া সাধারণত ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা। একটি নৌকায় ৮-১০ জন আরামে যেতে পারে। স্থানীয় প্রশাসন অনেক সময় ভাড়া নির্দিষ্ট করে দেয়।
 

আনুমানিক খরচ

মাঝারি মানের একটি ভ্রমণ পরিকল্পনায় ঢাকা থেকে জনপ্রতি খরচ আনুমানিক ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকা হতে পারে। তবে এটি মূলত নির্ভর করবে আপনার যাতায়াত ব্যবস্থা, থাকা-খাওয়া এবং দলের সদস্যসংখ্যার উপর।

কিছু জরুরি পরামর্শ

১. সাঁতার: নদীর কিছু অংশে স্রোত বেশ শক্তিশালী হতে পারে। সাঁতার না জানলে বা পানিতে নামলে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করুন। ২. সীমান্তবর্তী এলাকা: এটি একটি সীমান্ত এলাকা। কোনো অবস্থাতেই সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করবেন না এবং নির্ধারিত এলাকার মধ্যেই থাকুন। ৩. পরিবেশ রক্ষা: সাদা পাথর আমাদের দেশের সম্পদ। চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিকের বোতল বা অন্য কোনো আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন। প্রকৃতির সৌন্দর্য রক্ষা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। ৪. দরদাম: সিলেট থেকে সিএনজি বা গাড়ি রিজার্ভ করার আগে ভালোভাবে দরদাম করে নিন। তবে নৌকার ভাড়া সাধারণত নির্দিষ্ট থাকে। ৫. জুতা: পানিতে হাঁটার জন্য উপযুক্ত প্লাস্টিকের বা রাবারের স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। ৬. ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ: মোবাইল, ক্যামেরা বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নিরাপদে রাখার জন্য একটি ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ সাথে নিন। সবশেষে, যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি দূর করে প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যেতে চাইলে সিলেটের সাদা পাথর আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য হতে পারে। এর নির্মল সৌন্দর্য আপনার মনে এক প্রশান্তির ছোঁয়া এনে দেবে, যা আপনি আজীবন মনে রাখবেন।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.