৩৪ নর্থব্রক হলরোড সুত্রাপুর ঢাকা ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উলিপুরে ঈদ উল আযহার আনন্দ সমাজের দুস্থ মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে কায়রা ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

জনসংযোগ ডেস্ক
  • সময়: ০২:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / ৩৩২

শাহজাহান খন্দকার,স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম:কায়রা ফাউন্ডেশন-এর ‘সাম্যের ঈদ’

কোরবানি ঈদে কেউ গোসত পোলাও খাবে, কেউ খাবেনা,তা হবেনা তা হবেনা।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নে তিস্তা পাড়ের অসহায়, দরিদ্র দুস্ত পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক মানুষের মুখে ঈদের আনন্দ পৌঁছে দিতে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে কায়রা ফাউন্ডেশন, কুড়িগ্রাম জেলা শাখা। পবিত্র ঈদুল আযহার দিন ঈদের নামাজের পরপরই ‘সাম্যের ঈদ’ নামক এই কর্মসূচির আওতায় দুস্ত মানুষজনের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন।

আয়োজনে শুধু খাবারই ছিল না, ছিল ভালোবাসা, সম্মান ও সাম্যের প্রতিচ্ছবি। গ্রামের গরীব অসহায় মানুষের ভেদাভেদ ভুলে এক সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার এ প্রয়াস, সমাজে মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়। উক্ত প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি মুন্তাকিমুর রহমান মাছুম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সিনদীদ হোসাইন, সদস্য – নিঝুম, মাসুম, নাইম, মাসুদ রানা, নোমান প্রমূখ।

এ বিষয়ে কায়রা ফাউন্ডেশন-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বলেন, “ঈদের দিন ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের ত্যাগের আরও উজ্জ্বল মহিমার দৃষ্টান্ত স্থাপনে সক্ষম হয়েছি। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলের দানকে কবুল করুক, সকলের মনের আশা পূরণ করুক।”

ফাউন্ডেশনটির বিভাগীয় প্রধান সাজ্জাদ হোসেন সজীব এই উদ্যোগের প্রসঙ্গে বলেন, “ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন তা আমরা সবার সাথে ভাগ করে নিতে পারি। কায়রা ফাউন্ডেশন চেষ্টা করছে সেই সাম্য ও মানবিকতাকে বাস্তবে রূপ দিতে। তিস্তা পাড়ের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

সাম্যের ঈদ কেবল একটি প্রোগ্রাম নয়, এটি একটি বার্তা। সমাজে বিভাজন নয়, দরকার সমতা। সহানুভূতির অভাব নয়, চাই হৃদয়ের সংযোগ। কায়রা ফাউন্ডেশন-এর এ উদ্যোগ তাই শুধু ঈদের দিনে নয়, সারা বছরজুড়ে মানবতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

উল্লেখ্য যে কায়রা ফাউন্ডেশন ২০২০ সাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। যেমন- আমাদের মেহমান (মাসিক প্রোগ্রাম), এক বেলা আহার, শীতবস্ত্র বিতরণ, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, বাজার সামগ্রী প্রদান, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, মসজিদ ও মাদ্রাসা ক্যাম্পেইন ইত্যাদি।


Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

জনপ্রিয় ট্যাগ :

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

banner

এখানে বিজ্ঞাপন দিতে যোগাযোগ করুন

উলিপুরে ঈদ উল আযহার আনন্দ সমাজের দুস্থ মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিতে কায়রা ফাউন্ডেশনের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

সময়: ০২:২১:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
শাহজাহান খন্দকার,স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম:কায়রা ফাউন্ডেশন-এর ‘সাম্যের ঈদ’ কোরবানি ঈদে কেউ গোসত পোলাও খাবে, কেউ খাবেনা,তা হবেনা তা হবেনা। কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বজরা ইউনিয়নে তিস্তা পাড়ের অসহায়, দরিদ্র দুস্ত পরিবারের প্রায় দুই শতাধিক মানুষের মুখে ঈদের আনন্দ পৌঁছে দিতে এক ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ নিয়েছে কায়রা ফাউন্ডেশন, কুড়িগ্রাম জেলা শাখা। পবিত্র ঈদুল আযহার দিন ঈদের নামাজের পরপরই ‘সাম্যের ঈদ’ নামক এই কর্মসূচির আওতায় দুস্ত মানুষজনের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন। আয়োজনে শুধু খাবারই ছিল না, ছিল ভালোবাসা, সম্মান ও সাম্যের প্রতিচ্ছবি। গ্রামের গরীব অসহায় মানুষের ভেদাভেদ ভুলে এক সাথে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার এ প্রয়াস, সমাজে মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়। উক্ত প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা কমিটির সভাপতি মুন্তাকিমুর রহমান মাছুম, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক সিনদীদ হোসাইন, সদস্য – নিঝুম, মাসুম, নাইম, মাসুদ রানা, নোমান প্রমূখ। এ বিষয়ে কায়রা ফাউন্ডেশন-এর কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক বলেন, “ঈদের দিন ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের ত্যাগের আরও উজ্জ্বল মহিমার দৃষ্টান্ত স্থাপনে সক্ষম হয়েছি। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন আমাদের সকলের দানকে কবুল করুক, সকলের মনের আশা পূরণ করুক।” ফাউন্ডেশনটির বিভাগীয় প্রধান সাজ্জাদ হোসেন সজীব এই উদ্যোগের প্রসঙ্গে বলেন, “ঈদের প্রকৃত আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন তা আমরা সবার সাথে ভাগ করে নিতে পারি। কায়রা ফাউন্ডেশন চেষ্টা করছে সেই সাম্য ও মানবিকতাকে বাস্তবে রূপ দিতে। তিস্তা পাড়ের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।” সাম্যের ঈদ কেবল একটি প্রোগ্রাম নয়, এটি একটি বার্তা। সমাজে বিভাজন নয়, দরকার সমতা। সহানুভূতির অভাব নয়, চাই হৃদয়ের সংযোগ। কায়রা ফাউন্ডেশন-এর এ উদ্যোগ তাই শুধু ঈদের দিনে নয়, সারা বছরজুড়ে মানবতার দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। উল্লেখ্য যে কায়রা ফাউন্ডেশন ২০২০ সাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। যেমন- আমাদের মেহমান (মাসিক প্রোগ্রাম), এক বেলা আহার, শীতবস্ত্র বিতরণ, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ, বাজার সামগ্রী প্রদান, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান, মসজিদ ও মাদ্রাসা ক্যাম্পেইন ইত্যাদি।

Discover more from জনসংযোগ

Subscribe to get the latest posts sent to your email.