রোজায় ঘুমের ঘাটতি? সহজ ৪ উপায়ে কাটিয়ে উঠুন
- সময়: ০৪:২১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫
- / ৮৮
রমজান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের দৈনন্দিন রুটিনে বড় পরিবর্তন আসে। সেহরির জন্য ভোরে ঘুম থেকে ওঠা, সারাদিন রোজা রাখা, ইফতার ও নামাজ আদায়ের পর গভীর রাতে তারাবিহ পড়ার ফলে ঘুমের স্বাভাবিক সময় কমে যায়। এই আকস্মিক পরিবর্তন অনেকের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে, বিশেষ করে রমজানের প্রথম দিকে। তবে পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘুমের অভাব ক্লান্তি, বিরক্তি ও স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডেইলি পাকিস্তান একটি প্রতিবেদনে রমজানে ঘুমের অভাব কাটিয়ে ওঠার কিছু কার্যকর উপায় তুলে ধরেছে। আসুন জেনে নিই সেই উপায়গুলো—
১. ঘুমের নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন
ইফতার ও সেহরির মাঝের সময়টায় অন্তত চার ঘণ্টা ঘুমানোর পরিকল্পনা করুন। ফজরের নামাজের পর আরও দুই ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন, যাতে প্রতিদিন অন্তত ছয় ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত হয়। ঘুমের সময় নির্দিষ্ট রাখার অভ্যাস শরীরকে এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সাহায্য করবে।
২. প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো ও জাগ্রত হওয়া
রমজানে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলুন। নিয়ম মেনে চললে ঘুমের অভাবজনিত সমস্যা কমে যাবে এবং সহজেই ঘুম আসবে।
৩. দিনের বেলায় অল্প সময়ের জন্য ঘুমানো
যদি সম্ভব হয়, দিনের বেলা ২০-৩০ মিনিটের ছোট বিরতি নিয়ে ঘুমিয়ে নিন। এটি সতর্কতা বাড়ায় এবং শক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হতে পারে। তবে দিনের দীর্ঘ ঘুম রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, তাই তা এড়িয়ে চলাই ভালো।
৪. খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনুন
ইফতার ও সেহরিতে কী ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে, তা ঘুমের মানের ওপর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মিষ্টি বা চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। পাশাপাশি ঘুমানোর আগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় যেমন চা বা কফি গ্রহণ না করাই ভালো।
এই পরামর্শগুলো মেনে চললে রমজানে ঘুমের অভাবজনিত ক্লান্তি কমবে এবং সুস্থ থাকা সম্ভব হবে।
Discover more from জনসংযোগ
Subscribe to get the latest posts sent to your email.




















